Type Here to Get Search Results !

শ্বাসরুদ্ধকর ম্যাচে পাকিস্তানকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন ভারত

টান টান উত্তেজনা তৈরি হয়েছিল। ১৪৬ রানকেও ভারতের সামনে দুর্বোধ্য বানিয়ে ফেলেছিল পাকিস্তান। শেষ ওভারে প্রয়োজন ছিল ১০ রান। কিন্তু এই শেষ ওভারেই হারিস রউফের বলে সব শেষ করে দিলেন তিলক বার্মা। যিনি অটল পাহাড়ের মত দাঁড়িয়েছিলেন পাকিস্তানি বোলারদের সামনে।

হারিস রউফের প্রথম বলে ২, দ্বিতীয় বলে ছক্কা মেরেই ম্যাচ শেষ করে দেন তিনি। শেষ পর্যন্ত রিঙ্কু সিং বাউন্ডারি মেরে ভারতকে জয় এনে দিলেন। পাকিস্তানকে ৫ উইকেটে হারিয়ে এশিয়া কাপে চ্যাম্পিয়ন হলো ভারত।

ম্যাচের শুরুতে পাকিস্তান যেভাবে ব্যাটিং শুরু করেছিল, তাতে মনে হচ্ছিল- আজ বুঝি হাই স্কোরিং একটা ম্যাচ দেখতে পাবে ক্রিকেটপ্রেমীরা। কিন্তু শেষ পর্যন্ত হাই স্কোরিংয়ে সম্ভাবনা জাগিয়ে তোলা ম্যাচটি পরিণত হলো লো স্কোরিংয়ে।

পাকিস্তানের করা ১৪৬ রানের সহজ ইনিংসটা পাড়ি দিতেও বেশ কষ্ট করতে হয়েছে ভারতকে। এক তিলক বার্মা যদি না দাঁড়াতেন, তাহলে জয়টা সম্ভব হতো না।

জয়ের জন্য ১৪৭ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নামা ভারতীয় ব্যাটারদের শুরুতে বেশ চেপে ধরেছিল পাকিস্তানি বোলাররা। ২০ রানেই সেরা তিন ব্যাটার- অভিষেক শর্মা, শুভমান গিল ও সূর্যকুমার যাদবকে ফিরিয়ে দেন ফাহিম আশরাফ এবং শাহিন আফ্রিদি।

এ পরিস্থিতিতে ধুঁকতে থাকা ভারতকে টেনে তোলার দায়িত্ব নেন তিলক বার্মা এবং সাঞ্চু স্যামসন। এ দু‘জনের ৫৭ রানের জুটিতেই গড়ে ওঠে ভারতের জয়ের স্বপ্ন। একটি ছক্কা হাঁকাতে গিয়ে সাঞ্জু স্যামসন সাহিবজাদা ফারহানের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফিরে যান। ২১ বলে ২৪ রান করেন তিনি।

এরপর জুটি বাধেন তিলক বার্মা ও শিবাম দুবে। এ দু‘জনের ব্যাটে গড়ে ওঠে ৬০ রানের অনবদ্য এক জুটি। তাতেই নিশ্চিত হয়ে যায় ভারতের জয়। শেষ মুহূর্তে শিবাম দুবে ২২ বলে ৩৩ রান করে আউট হয়ে গেলে বাকি কাজ সারেন তিলক বার্মা এবং রিঙ্কু সিং।

পাকিস্তানি বোলারদের মধ্যে সবচেয়ে বাজে এবং খরুচে ছিলেন হারিস রউফ। কোনো উইকেট তো পান‘ইনি। উল্টো প্রথম তিন ওভারে দিয়েছিলেন ৩৭ রান। সেই হারিস রউফের কাঁধেই শেষ ওভারে ১০ রান রক্ষার দায়িত্ব দিয়েছিলেন অধিনায়ক সালমান আগা। কিন্তু একটি করে বাউন্ডারি আর ছক্কা হজম করে ২ বল বাকি থাকতেই ভারতকে জয় উপহার দেন হারিস।

৫৩ বলে ৬৯ রানে অপরাজিত থাকেন তিলক বার্মা। ৩টি বাউন্ডারির সঙ্গে ৪টি ছক্কার মার মারেন তিনি। ফাইনাল সেরা পুরস্কারও ওঠে তিলক বার্মার হাতে।

এর আগে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে পাকিস্তান ১৯ ওভারে ১৪৬ রান করে অলআউট হয়। দুই ওপেনার সাহিবজাদা ফারহান ও ফাখর জামান ৯.৪ ওভারে গড়েছিলেন ৮৭ রানের জুটি। এরপরই পতন শুরু হয় পাকিস্তানের। শেষ পর্যন্ত ১৪৬ রানে অলআউট। ৫৭ রান করেন ফারহান। ৪৬ রান করেন ফাখর জামান। কুলদিপ যাদব নেন ৪ উইকেট।

আইএইচএস/



Post a Comment

0 Comments
* Please Don't Spam Here. All the Comments are Reviewed by Admin.